পোস্টগুলি

জীবন

জীবন যেকোনো ক্ষণ চলে যেতে পারে, একবার চলে গেলে আসবে কি ফিরে? যতক্ষণ বেঁচে আছো করো উপভোগ, অপরের ক্ষতি করে বাঁধি‌ও না রোগ।

হীনতা

হীনতা  আনোয়ার হোসেন জীবন        পঞ্চাশ বছর গেলো পেয়ে স্বাধীনতা, গোপনে নিরবে কাঁদে বাকস্বাধীনতা। রাজনীতিবিদদের নেই শালীনতা, তাঁরা বুঝি মনে করে বোঝেনা জনতা। শিক্ষকের মান কম ঘোঁচেনা দীনতা, এখনো দেখিনা কারো সে বিচক্ষণতা।

জীবনগীতি - ৪৩৩

জীবনগীতি - ৪৩৩ রচনা : ১৫/০৩/২০২১ আনোয়ার হোসেন জীবন ফূল ফুটেরে অলি জোটেরে, ফুলের মধু শুধু লোভী লোটেরে।। দুধের মাছি রে দেখে নাচি রে, অসময়ে ছিল যারা ভুলে গেছি রে।। সময় গেলে রে সব উল্টো ঘোরে রে, ভুলগুলো মূল সহ ফুটে ওঠে রে।।

শব

সময়ের সাথে সাথে বদলায় সব, যাহারা মানে না তাহা তাহারা‌ই শব।

জীবনগীতি - ৪৩২

জীবনগীতি - ৪৩২ রচনা : ১০ /০৩/২০২১ আনোয়ার হোসেন জীবন কথারা হারায় না তো নিদানের কালে, উপকারী কথা গেঁথো সবুজের লালে।। ভুলে যাই ভুলে যেও অপকারী প্রথা, ভালোবাসা ভান হলে রচে না তো গাঁথা।। ব্যথারা হারায় না তো অভিমানে জাগে, কেউ তা বুঝুক বা না পাবে ঠিক‌ই ভাগে।।

হে সভ্য সমাজ

হে সভ্য সমাজ, চিন্তার প্রকাশকে পারবে কি দমাতে? প্রযুক্তি প্রতি জনে জনে, চিন্তা চলিতে থাকে মনে। চিন্তা সঠিক যদি হয় তবে তার হবেই তো জয়। ক্ষমতার অপব্যবহার যে করে সে পায় না তো ছাড়। তাই ক্ষমতার করো ব্যবহার দেখে শুনে বুঝে চারিধার।  প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে মৌলবাদে গেছে ভরে। কাটিতে পারে না গাছ কুড়াল লোহার, যদি না সঙ্গে থাকে কাঠের আছাড়। শুধু সৎরাই প্রশংসনীয়, অসতের পরিজন সদা নিন্দনীয়। আগে যারা মরে গেছে বেঁচে গেছে তারা, আজো যারা বেঁচে আছে তারা খেলো ধরা। পাপ করে মাপ নাই আগামীর কাছে, সময়ে না শোধরালে ধরা খাবে পাছে। করো না কাহারো ক্ষতি হোক যত বোকা, বোকাদের ধোঁকা দিলে খেতে হবে পোকা। জ্ঞানী হ‌ও বেশী বেশী হয়ো না চতুর, কুপথে কামালে টাকা সহসা ফতুর।

ছড়া

ব্যঞ্জন বর্ণ পাঁচালী  (সবগুলো ব্যঞ্জন বর্ণ ব্যবহৃত) আনোয়ার হোসেন জীবন কখনো গোপনে যদি ঘরে ঢুকে ব্যাঙ, চট্ করে ছালা দিয়ে জড়াবে দু' ঠ্যাং। ঝামেলা এড়াতে মিঞা ডাকবে তখন, থাকো ধরে ফাঁপরে না পড়ে যতক্ষণ। ভয় শেষ হলে গেয়ো আষাঢ়ের গান, অতঃপর কাৎ হয়ে বসে খেয়ো পান।