জীবনগীতি - ৪৩০
রচনা : ১৬/০১/২০২১
আনোয়ার হোসেন জীবন
শিখিও তুমি শিখিও
মনের কাগজে লিখিও,
আশেপাশে সব দেখিও
চোখের কোণে আঁকিও।।
পাখির মতো উড়িও
বুঝিয়া শুনিয়া করিও (২)
জানার মত জানিও আর
মাঝেসাঝে ঝালিও।।
গাই পালিয়া দুহিও চাষা
ফুলের মত ফুটিও (২)
বয়সকালে রোমিও আর
চিকিৎসাতে হোমিও।।
জীবনগীতি - ৫০৬
জীবনগীতি - ৫০৬ রচনা : ১৯/১২/২০২৫ আনোয়ার হোসেন জীবন পৃথিবীর পিঠে চড়ে ছুটে চলি মহা শূন্যে রে ।। জগতে আছে যত ছায়াপথ গ্রহ তারা, সকলেই ছুটিতেছে অবিরাম ছুটি ছাড়া (২) আমি তবু মাঝে মাঝে ছুটিও কাটাই রে।। একে অপরের থেকে তারা শুধু যায় সরে, মানুষ বা পশুরাও কত কাছে আসে রে (২) তাই তারাদের চেয়ে আমি কত সুখী রে।। জীবনগীতি - ৫০৬: মহাজাগতিক বিচ্ছিন্নতা ও বৈশ্বিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মানবিক নৈকট্যের একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ আনোয়ার হোসেন জীবন-এর 'জীবনগীতি - ৫০৬' কবিতাটি এমন এক সময়ে রচিত হয়েছে (১৯ ডিসেম্বর ২০২৫), যখন পৃথিবী এক গভীর ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মহাজাগতিক নিঃসঙ্গতার সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। কবিতাটির মূল সুর—মহাবিশ্বের প্রসারণ এবং নক্ষত্রদের পারস্পরিক দূরত্ব বৃদ্ধির বিপরীতে মানুষের নৈকট্য ও 'ছুটি' কাটানোর সক্ষমতা—একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকের শেষভাগের বিশ্ব পরিস্থিতির একটি শক্তিশালী রূপক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে । একদিকে নক্ষত্ররা যেমন বিরামহীন ছুটে চলেছে এবং একে অপরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, অন্যদিকে সমকালীন বিশ্ব রাজনীতিতেও জাতিরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিচ্ছিন্নতা, যুদ্ধ এবং মেরুকরণ বৃদ্ধি...
মন্তব্যসমূহ