পোস্টগুলি

টাকা দেবে গুগল

বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, "লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন।" এটার আধুনিক সংস্করণ, "লাগে টাকা দেবে গুগল। " বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কোম্পানি তাদের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য গুগলের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। এই বিজ্ঞাপনগুলো গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ব্লগ ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার করে, দেশ ভেদে বিভিন্ন হারে কমিশন দেয়। বাংলাদেশে এই হার ৩৫%। একই ভাবে ফেসবুকেও যেসব ব্যবহারকারীর প্রোফাইল প্রচুর ভিউ বা প্রচার হয় সেসব ব্যবহারকারীর আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের প্রোফাইলে বিজ্ঞাপন প্রচার করে এবং বিজ্ঞাপন অনুযায়ী বিভিন্ন হারে কমিশন দেয়। এভাবে অনেক বাংলাদেশি অনলাইন ইনকাম বা আউটসোর্সিং করে অনেক ভাল উপার্জন করছেন।  বাঙালিদের সম্পর্কে একটা কৌতুক প্রচলিত আছে যে, নরক বা দোজখে বিভিন্ন দেশের অধিবাসীদের আলাদা আলাদা অংশে রাখা হয় এবং কেউ যাতে পালাতে না পারে সেজন্য প্রহরী নিয়োজিত আছে তবে বাঙালিদের অংশে কোন প্রহরী নাই, কারণ বাঙালিদের কেউ পালানোর চেষ্টা করলে অন্যরা তাকে আটকে রাখে। 

জীবনগীতি -৪৫৫

জীবনগীতি - ৪৫৫ রচনা : ০৩/০৩/২০২৩ আনোয়ার হোসেন জীবন বাজা রে বাজা রে সুরেতে বাজা, মজা রে মজা রে লাগেরে মজা।। মনটা আমার নাচেরে আজ অঙ্গে লাগে দোলা, ভিতর বাহির সকল দিকে সকল দুয়ার খোলা। গলা ছেড়ে গাইলে রে গান লাগেরে তাজা।।

জীবনগীতি- ৪৫৪

জীবনগীতি - ৪৫৪ রচনা : ১৮/০২/২০২৩ আনোয়ার হোসেন জীবন এই আসরে আসো রে এই বাসরে বসো রে, এই আসরে গাও রে এই বাসরে হারাও রে।। নাচোরে নাচোরে নাচোরে এই আসরে নাচো রে, বাঁচো রে বাঁচো রে বাঁচো রে এই আসরে বাঁচো রে।। হাসো রে হাসো রে হাসো রে এই আসরে হাসো রে, ভাসো রে ভাসো রে ভাসো রে এই আসরে ভাসো রে।।

জীবনগীতি-৪৫৩

জীবনগীতি - ৪৫৩ রচনা : ১৬/০১/২০২৩ আনোয়ার হোসেন জীবন ঝ..রে ঝ..রে ঝ..রে শীতের দুপুরে গাছের পাতা ঝরে।। ঝ..রে ঝ..রে ঝ.. রে নয়ন কোণে সিন্ধু বারি ঝরে।। ঝ.. রে ঝ.. রে ঝ.. রে দেহের দহন কোমল কমলে ঝরে।।

জীবনগীতি - ৪৫২

জীবনগীতি - ৪৫২ রচনা : ০৭/০১/২০২৩ আনোয়ার হোসেন জীবন শীতে কাঁপে হাত পাও আরো কাঁপে ঠোঁট, বেখেয়ালে হেঁটে যেতে পায়ে লাগে চোট।। গাছেদের পাতা ঝরে হয়ে গেছে শীর্ণ, মেহগনি বীজগুলো হয়েছে বিদীর্ণ।। প্রকৃতির পাঠ নিতে নেমেছি যে পথে, বন্ধু খাতার পাতে রাখি সব গেঁথে।।

জীবনগীতি- ৪৫১

জীবনগীতি - ৪৫১ রচনা : ২২/১২/২০২২ আনোয়ার হোসেন জীবন বছর আহে বছর যায় বসুধা ধরায়, যা গেছে তা কখনো কি ফিরে পাওয়া যায়?।। আয়রে আমার হিয়ার পাখি গহীন গুহায় আয়, গভীরে যার অনুরণন সেই তো সুরে গায়।। গাইতে হবে এমনি গান যা শুনিলে প্রাণ জুড়ায়, শুনব না আর সেসব সুধা যা আমার ভেতর পোড়ায়।।

জাতীয় দিবস

বাঙালিকে শাসন করেছে বহু জাতি, বহু বছর ধরে। বহু বীরের রক্তে স্নাত হয়েছে এ পূণ্যভূমি বারবার, তবু সে স্বাধীনতা অধরাই রয়ে গেছে চারিধার। অবশেষে উনিশশো একাত্তরে ছাব্বিশ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করে যান, ত্রিশ লক্ষ প্রাণের দামে আমরা রেখেছি তার মান। তাই বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন এই স্বাধীনতা, আমাদের জাতীয় দিবস। আজ এই মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সকলকে উদাত্ত আহ্বান জানাই, আসুন আমরা জেগে উঠি, সকল অন্যায় অবিচার দুর্নীতি  বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হ‌ই। প্রতিটি শিশু, প্রত্যেক নাগরিক প্রতিটি কর্মকর্তা - কর্মচারী নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিক ভাবে পালন করি। ব্যক্তিগত দক্ষতা ও যোগ্যতার উন্নতি ঘটিয়ে সমৃদ্ধ করি - পরিবার,সমাজ, দেশ ও জাতি। স্বাধীনতার পর থেকেই পরাজিত শত্রুরা পেছনে লেগে রয়েছে সুযোগের অপেক্ষায়। সামান্য সুযোগ পেলেই কৌশলে কাজে লাগাচ্ছে এদেশকে নষ্ট করার, ভ্রষ্ট করার। জাতির উন্নতির স্বার্থে সকলকেই সচেতন হতে হবে ব্যক্তিগত স্বার্থের লোভে কেউ যেন না জড়াই দুর্নীতি ও অন্যায়ের জালে। সাময়িক সাফল্য আসলেও পরিণতি খুবই ভয়াবহ পরবর্তী প্রজন্মের কালে। প্রযুক্তির পূর্ণতার ফলে...